কমরেড সভাপতি ও প্রিয় কমরেডগণ, অভিনন্দন গ্রহণ করুন। আমরা দীর্ঘ কয়েক মাস পরে কেন্দ্রীয় কমিটির সভায় মিলিত হয়েছি। গত বছর মে মাসে কেন্দ্রীয় কমিটি পূর্ণ বৈঠকে বসেছিল। তারপর দেশে অনেক ঘটনা ঘটেছে। আমরা এই সময়কালের ঘটনাবলীর আলোচনা করে মূল্যবান অভিজ্ঞতাগুলো শিক্ষা হিসাবে গ্রহণ করব এবং সে আলোকে ভবিষ্যৎ করণীয় ও বিশেষতঃ ভবিষ্যৎ কর্মধারা প্রণয়ন করব ।
এবার দেশে গত ‘৮৩ সালের শুরু থেকে সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে এবং গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার দাবিতে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন গড়ে উঠেছিল ৷ গত ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত এই আন্দোলন অনেক চড়াই-উতরাই পার হয়ে, কমরেড তাজুলসহ অনেক শহীদের রক্ত, ত্যাগ ও দমন-পীড়ন সহা করে অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিজয় অর্জন করেছিল। অনিচ্ছক সামরিক শাসক গোষ্ঠী শেষ পর্যন্ত কেবলমাত্র সংসদ নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করতে বাধ্য হয়েছিল এবং নির্বাচনের পূর্বশর্ত হিসাবে (কিছু গুরুত্বপূর্ণ) কনসেশন দিতে ও বাধ্য হয়েছিল। জনদলীয় মন্ত্রিসভা বাতিল, সামরিক শাসনকে সংকুচিত করা প্রভৃতি ছিল এর মধ্যে অন্যতম। এগুলো ছিল) আন্দোলনেরই সাফল্য । এই সঙ্গে শ্রমিক-কর্মচারীদের আন্দোলনও অগ্রসর হয়ে চলেছিল। গত বছর মে মাসে শ্রমিক-কর্মচারীদের সঙ্গে সম্পাদিত চুক্তি বাস্তবায়নে সরকারের অব্যাহত গড়িমসির বিরুদ্ধে এবং চুক্তি বাস্তবায়নের দাবিতে আবারও শ্রমিক-কর্ম চারীদের আন্দোলন গড়ে উঠেছিল এবং তা সাফল্যের দিকেই অগ্রসর হয়েছিল। চিকিৎসক, প্রকৌশলী, কৃষিবিদসহ বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠিত হয়ে ধর্ম ঘট-মিছিল প্রভৃতির মধ্য দিয়ে আন্দোলনে
গোপনীয় দলিল
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির রাজনৈতিক রিপোর্ট
[মে ১৯৮৪ থেকে জুন ১৯৮৫]
সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ফরহাদ প্রদত্ত
[কেবলমাত্র পার্টি সভ্যদের জন্য]