বসন্তের এক সুন্দর দিন শেষ হয়ে আসছে। পরিষ্কার আকাশে টুকরো-টুকরো গোলাপী মেঘ মনে হয় যেন ভেসে যাচ্ছে না, গলে যাচ্ছে নীল আকাশের গভীরে।
ও… সহরের (এটা ১৮৪২-এর কথা) সহরতলির এক সন্দর বাড়ির খোলা জানালার সামনে দুটি মহিলা বসে; একজনের বয়স প্রায় পঞ্চাশ, অন্যজন সত্তর বছরের বৃদ্ধা।
প্রথমোক্তার নাম মারিয়া দমিত্রিয়েভনা কালিতিনা। তাঁর স্বামী ছিলেন ভূতপূর্ব প্রাদেশিক সরকারী উকিল। কর্ম পটু, তুখোড়, একগুয়ে ও রাগী প্রকৃতির মানুষ হিসেবে তাঁর জীবদ্দশায় তিনি বিখ্যাত ছিলেন। দশ বছর আগে তাঁর মৃত্যু হয়েছে। ভালো লেখাপড়া তিনি শিখেছিলেন, পাশ করেছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ; কিন্তু দরিদ্র পরিবারে জন্মাবার দরুন অল্প বয়সেই তিনি জীবনে উন্নতি করা ও টাকা কামানোর প্রয়োজনীয়তা বুঝেছিলেন। মারিয়া দমিত্রিয়েভনা তাঁকে ভালোবেসেই বিয়ে করেছিলেন। লোকটা এমনিতে ছিল সাপুরুষ, বুদ্ধিমান এবং প্রয়োজনমতো অমায়িক। বাল্যাবস্থাতেই মারিয়া দুমিত্রিয়েভনা (কুমারী অবস্থার নাম পেস্তোভা) তাঁর পিতামাতাকে হারান। মস্কোর এক মেয়েদের কলেজে তিনি কয়েক বছর কাটান। সেখান থেকে ফিরে ও … সহর থেকে প্রায় পঞ্চাশ ভার্স্ট দূরের পক্রভস্কয়ে নামে গ্রামে তাঁর পিসী এবং এক বড় ভাইয়ের সঙ্গে পারিবারিক…
বাবুদের বাসা
ইভান তু র্গে নে ভ
উপন্যাস
প্রকাশনা : প্রগতি প্রকাশন
২১, জুবোভস্কি বুলভার,
মস্কো, সোভিয়েত ইউনিয়ন
প্রকাশকাল : মস্কো, ১৯৭১
মূল্য : উল্লেখ নাই