ছেলেবেলায় স্কুলপাঠ্য ইতিহাসে প্রথম পড়ি ‘সিপাহী বিদ্রোহের’ কথা৷ শুয়োর ও গরুর চর্বি-মাখানো টোটার প্রশ্ন নিয়ে ধর্মান্ধ সিপাইদের হিংস্র, নিষ্ঠুর রক্তারক্তির এক বিভীষিকাময় কাহিনী। সাম্রাজ্যবাদ যেভাবে শেখাতে চেয়েছিল, যতটুকু শেখাতে চেয়েছিল, সেই ভাবেই এবং ততটুকুই লিখে- ছিলাম, তার বেশী নয়।
করতে হবে। সেদিন যা আমাদের ১৮৫৭ কি শুধু সিপাইদের একটি
আজ বড় হয়েছি। এ শুধু ব্যক্তির কথা নয়, জাতির ক্ষেত্রেও তাই । জাতি আজ স্বাধীন। মুক্ত জাতির মুক্তবুদ্ধি নিয়েই আজ আমাদের অতীত শিক্ষা এবং ইতিহাসকে বিচার শেখানো হয়েছিল, তাই কি সত্যি ? বিশেষ রকনের টোটার বিরুদ্ধে অসন্তোষের প্রকাশ ? তার উপলক্ষ নিয়ে কি অসন্তুষ্ট সামন্ত নৃপতিগণই তাঁদের হৃতশক্তি পুনরুদ্ধার করতে চেয়ে- ছিলেন? টোটা আর সামন্ত নৃপতিদের ইচ্ছা অনিচ্ছার মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল ?
আজ নয়, সতর্ক সাম্রাজ্যবাদ কিন্তু সেদিন বুঝতে পেরেছিল ১৮৫৭ শুধু সিপাইদের বিক্ষোভ নয়, ১৮৫৭ বন্দী উপমহাদেশের মুক্তি সাধনার প্রথম নহ। আলোড়ন। পাছে এর তাৎপর্য ভারতের আপামর জনসাধারণের মুক্তি-সাধনার অপরাজেয় অনুপ্রেরণনার উৎস হয়ে দাঁড়ায়, তাই বৃটিশ শাসক- বর্গ সচেতনভাবে ১৮৫৭-র মহাবিদ্রোহের ইতিহাসকে বিকৃত করে সিপাই- দের অন্ধ বিক্ষোভে এনে দাঁড় করল।
মহাবিদ্রোহের কাহিনী
সত্যেন সেন
প্রথম সংস্করণ : ১৯৫৮
দ্বিতীয় সংস্করণ : ১৯৬৫
তৃতীয় সংস্করণ : ১৯৬৬
চতুর্থ সংস্করণ : ১৯৭১
প্রকাশক : চিত্তরঞ্জন সাহা
মুক্তধারা
[স্বঃ পুথিঘর লিঃ]
৭৪ ফরাশগঞ্জ, ঢাকা-১১০০
বাংলাদেশ
প্রচ্ছদ শিল্পী : হাশেম খান
মুদ্রাকর : প্রভাংশুরঞ্জন সাহা
ঢাকা প্রেস, ৭৪ ফরাশগঞ্জ, ঢাকা- ১১০০
মূল্য : ৬০.০০ টাকা