শ্রীযুক্ত শিবশঙ্কর পিল্লাইয়ের নাম মাত্র বছর খানেক আগেও দক্ষিণ ভারতের বাইরে খুব বেশী লোকের জানা ছিল না। আর আজ সারা ভারতবর্ষের শিক্ষিত সমাজ তাঁকে চেনেন। চেনেন প্রধানত এই কারণে যে, মালয়ালম ভাষায় শ্রেষ্ঠ উপন্যাস রচনার জন্য গত বছর তাঁকে সাহিত্য আকাদমির পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।
কিন্তু স্বীকার করতে দ্বিধা থাকা উচিত নয় যে, তাঁর নামের সঙ্গে পরিচয় ঘটলেও তাঁর সাহিত্যের সঙ্গে আজও আমাদের পরিচয় ঘটেনি। ভাষার পার্থক্যই এই অপরিচয়ের একমাত্র হেতু। এবং একমাত্র তর্জমার সাহায্যেই এই অপরিচয়ের অবসান ঘটান যেতে পারে।
বাঙালী পাঠককে দক্ষিণদেশীয় এই শক্তিমান লেখকের সাহিত্য-সাধনার সঙ্গে পরিচিত করিয়ে দেবার দায়িত্ব আমাদের উপরে ন্যস্ত হয়েছে, এজন্য আমরা সঙ্গত কারণেই গর্ববোধ করতে পারি। লেখক হিসেবে শ্রীযুক্ত পিল্লাইয়ের প্রধান সম্পদ তাঁর সহানুভূতি। জনজীবনের প্রতি তাঁর মমতা প্রায় অন্তহীন। অত্যন্তই কাছের থেকে সংগ্রামময় সেই জীবনকে তিনি দেখেছেন, তাঁর সাহিত্যে তাকে রূপায়িত করতে চেয়েছেন। বর্তমান গ্রন্থখানিও জনজীবনের, তার ব্যর্থতা আর সাফল্যের, এক বলিষ্ঠ ইতিবৃত্ত।
– প্রকাশক
দু কুনকে ধান
তকষী শিবশঙ্কর পিল্লাই
অনুবাদ : মলিনা রায়
Du Kunke Dhan-Bengali Translation of the Malayalam novel by Thakazhi Shivashankar Pillai Sahitya Akademi, New Delhi (1959)
“সাহিত্য অকাদেমীর পক্ষে কানাইলাল সরকার কর্তৃক
ত্রিবেণী প্রকাশন, ২, শ্যামাচরণ দে স্ট্রীট, কলিকাতা-১ হইতে প্রকাশিত।
প্রথম সংস্করণ— মাঘ ১৩৬৫
(C) সাহিত্য অকাদেমী
মুদ্রাকর : শ্রীভোলানাথ হাজরা রূপবাণী প্রেস
৩১, বাছড় বাগান স্ট্রীট কলিকাতা-৯
প্রচ্ছদ শিল্পী : ইন্দ্ৰ দুগার
ব্লক : সিগনেট ফটোটাইপ
প্রচ্ছদ মুদ্রণ : স্কোয়ার প্রিন্টার্স
বাঁধাই : ওরিয়েন্ট বাইণ্ডিং ওয়ার্কস
দামঃ তিন টাকা