অধ্যাপক বনাম গির্জার যাজক
খুঁত খুঁতে স্বভাব ও সময়নিষ্ঠা সম্পর্কে আত্যন্তিক জেদের জন্য মিউনিক বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক কার্ল ফন নেগেলির খ্যাতি ছিল। এ নিয়ে তাঁর নিজের অহঙ্কারও কিছু কম ছিল না। হয়ত-বা এজন্যই উদ্ভিদবিজ্ঞানের অধ্যাপক হিসেবে তিনি হায়েরেশিয়াম (Hieracium) তাঁর গবেষণার বিষয় হিসেবে নির্বাচন করেছিলেন। গাছটির মাথায় ছিল ঝাঁকড়া হল দফুলের মঞ্জরী। এদের নিয়ে কাজ করতে হলে সবকিছ, অত্যধিক নিখাত হওয়া চাই।
অধ্যাপক সর্বত্রই ঘড়ির কাঁটায় কাঁটায় চলতেন এবং যথাসময়ে চিঠির উত্তর দিতেন। কিন্তু প্রায় দু’মাস পার হলেও একটি চিঠির উত্তর তিনি দিতে পারছিলেন না। কিন্তু এর উত্তরে কী বলা উচিত? চিঠিটি কোন বিজ্ঞানীর নয়। স্বাক্ষর থেকে তা স্পষ্টতই প্রমাণিত। লিখেছে: ‘মহামান্যের শ্রদ্ধাবনত ও বিনীত ভৃত্য, গ্রেগর মেন্ডেল, গীর্জার যাজক এবং মঠস্কুলের শিক্ষক ৷’ তারিখ ৩১শে ডিসেম্বর ১৮৬৬, আর আজ ফেব্রুয়ারির ২৫শে… কিন্তু নামই তো সবকিছু, নয়। মেণ্ডেল তাঁর কাছে প্রবন্ধ পাঠিয়েছেন। তবে নেগেলির মতে কোন বিজ্ঞানীর পক্ষে এমন উদ্ভট কিছু লেখা অসম্ভব: এ তো উদ্ভিদবিজ্ঞান ও বীজগণিতের জগাখিচুড়ী।
যদি উদ্ভিদবিজ্ঞানী হও, কেবল উদ্ভিদবিজ্ঞান নিয়েই থাকবে, আর যদি গাণিতিক হও উদ্ভিদ সঙ্করণে মাথা গলানো কেন? সত্য কথা, ছোকরা লেখকটিকে নিরুৎসাহিত করাও তো কাজের কথা নয় (নেগেলি জানতেন না…
কেন আমি বাবার মতন
ন: লুচনিক
প্রগতি প্রকাশন, মস্কো
প্রকাশকাল : ১৯৭৭
অনুবাদ: দ্বিজেন শর্মা
অঙ্গসজ্জা: গ. সাউকভ
সংশোধিত বাংলা অনুবাদ • সচিত্র – প্রগতি প্রকাশন
Л 21003-619 014(01)-77 -680-77
সোভিয়েত ইউনিয়নে মুদ্রিত
প্রগতি প্রকাশন
২১, জাবোভস্কি বুলেভার মস্কো, সোভিয়েত ইউনিয়ন
Progress Publishers
21, Zubovsky Boulevard Moscow, Soviet Union