“ইতিহাস অব্যক্ত বেদনার কাহিনী নহে।”
শান্তিনিকেতনে ইতিহাস অধ্যাপনার জন্য স্যার যদুনাথ সরকারকে একদা রবীন্দ্রনাথ অনুরোধ জানিয়ে ছিলেন। কিছুটা রূঢ়তার সাথে ঐতিহাসিক যদুনাথ সরকার যে জবাব দিয়েছিলেন তার একটা বড় যুক্তি ছিল উপরোক্ত মন্তব্য। বস্তুতঃ, শান্তিনিকেতনের শিক্ষা পদ্ধতি ততটা ‘বৈজ্ঞানিক’ নয় বলেই স্যার যদুনাথ সরকার মনে করতেন। আর তাই দ্বিতীয় পত্রে ব্যথিত ও ক্ষুব্ধচিত্ত রবীন্দ্রনাথের পুনরায় অনুরোধ সত্ত্বেও তিনি ইতিহাস অধ্যা- পনার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছিলেন। ইতিহাস পঠন পাঠন আর তার বিষয় বস্তু এবং এতৎসংক্রান্ত দৃষ্টিভঙ্গী সমস্ত ইতিহাসবেত্তারই কাছে একটা বড় সমস্যা। বিখ্যাত ঐতিহাসিক অধ্যাপক টয়েনবী ইতিহাস রচনার সময় নিরপেক্ষতার ওপর জোর দিয়েছেন। নতুবা ঘটনা বিকৃত হবার আশঙ্কা রয়েছে। তিনি বলেছেন যখন যে দেশের ইতিহাস লিখতে হবে সেখানে লেখকের নিজের অজাতিগত সত্তা কিংবা ক্ষেত্রান্তরে স্বীয় জাতি- সত্তা থেকে নিজেকে বিচ্ছিন্ন করে নিতে হবে। নতুবা বিশ্লেষণের ক্ষেত্রে পক্ষপাতদুষ্টতা এবং বিকৃতির বিপদ থেকে যাবে।
কিন্তু লেখক কি নিরপেক্ষ? তাকে কি কোন দৃষ্টিভঙ্গী থেকেও নিরপেক্ষতা বজায় রাখা সম্ভব ?
ইতিহাসের রূপরেখা
আবদুল হালিম
প্রকাশনা :এম, আবদুল হক
প্রকাশ ভবন
৫, বাংলা বাজার, ঢাকা-১
মুদ্রণ : আবদুর রহমান খান
বর্ণ বিন্যাস
৯, রমাকান্ত নন্দী লেন, ঢাকা-১
প্রচ্ছদ : আবদুল মুকতাদির
প্রথম প্রকাশ : জ্যৈষ্ঠ, ১৩৭৬
মে, ১৯৬৯
দাম : দশ টাকা