ইন্দিরা গান্ধী একটি নাম, একটি ইতিহাস। কোন কালে কোন যুগে মানব সভ্যতার ইতিহাসের কোথাও কোন নারী ইন্দিরার ন্যায় এত গৌরবময় স্থান পানগি। বিশ্ব নেতৃত্বের ক্ষেত্রে ভারত তথা অনগ্রসর বিশ্বের নারী হয়েও তিনি গৌরবময় অবদান রেখেছেন।
ভারতের ৭৩ কোটি মানুষের প্রতিনিধি তথা প্রধানমন্ত্রী হয়ে দীর্ঘ ১৬ বছর দেশ শাসন ও দেশের অগ্রগতিতে গৌরবময় অবদান রাখতে সমর্থ হওয়ায় রাজনীতিক ও কটনীতিক হিসেবে ইন্দিরা গান্ধী বর্ত্তমান যুগের শীর্ষ স্থানীয় ও নারী জাতীর মধ্যে শ্রেষ্ঠতম।
—শাহরিয়ারের হাতের লেখার খাতা (তারিখ ৩রা মার্চ ১৯৮৬), বয়সঃ তৃতীয় শ্রেণী, শিশু বিতান ও শিক্ষাঙ্গন, ইসকাটন গার্ডেন, ঢাকা-৮
এই লেখা হাবিবুর রহমান রচিত বই (ছাটদের ইন্দিরা গান্ধী থেকে)।
ইন্দিরা গান্ধী বাংলাদেশে
তোফায়েল
প্ৰথম প্ৰকাশ : চৈয় ১৩৯২
মার্চ ১৯৮৬
প্রকাশনায় : রেবেকা তাসনীম, ফাতেমা মঞ্জিল (ত্রিতল), দিল সড়ক, নতুন ইস্কাটন, ঢাকা, বাংলাদেশ।
মুদ্রণে : পিপলস প্রিন্টার্স লিমিটেড, ৩২/১ মালিবাগ, চৌধুরী
পাড়া, ঢাকা–১৭, ফোন : ৪16841
প্রচ্ছদ : হামিদুজ্জামান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
দাম : বোর্ড বাঁধাই সাদা মুদ্রণ কাগজ – ৫০ টাকা।
সংবাদ মুদ্রণ কাগজ : ২৫ টাকা।
প্রাপ্তিস্থান জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্র, ৫-সি, বঙ্গবন্ধু এভেনিউ, ঢাকা-২
ইন্দিরা গান্ধী বাংলাদেশে, তোফায়েল প্রণীত।