বাংলাদেশের শিশু ও কিশোরদের কাছে উপেন্দ্রকিশোরের পরিচয় নতুন করে বলতে যাওয়া বাতুলতা ছাড়া আর কিছুই নয়। তাঁর ‘গুপী গাইন বাঘা বাইন’ ‘টুনটুনির বই’,‘ছেলেদের মহাভারত’ ‘ছেলেদের রামায়ণ পড়েনি এমন শিশু ও কিশোর এযুগে বিরল। উপেন্দ্রকিশোরের প্রথম বয়সের নাম কামদারঞ্জন! জন্ম ১৮৬৩ খ্রীষ্টাব্দের ১০ই মে— আজকের বাংলাদেশের অন্তর্গত ময়মনসিংহ জেলায়। ছেলেবেলাতেই দত্তক নিলেন কামদারঞ্জনকে হরিসাধন রায়চৌধুরী বাবা কালীনাথ রায়ের কাছ কামদারঞ্জন রায় থেকে । বাড়ি বদলের সংগে সংগে নামেরও বদল হল। হল উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী।
ছেলেবেলা কাটে ময়মনসিংহে, ওখানকারই স্কুলে পড়তেন উপেন্দ্ৰ- কিশোর। লেখাপড়ায় খুবই ভাল ছিলেন—বিশেষ করে বিজ্ঞান আর গণিতে । ময়মনসিংহ জেলা স্কুল থেকে সেকালের প্রবেশিকা পরীক্ষায় পাশ করে চলে আসেন কলকাতায়। ভর্তি হন প্রেসিডেন্সী কলেজে।
ছেলেবেলা থেকেই উপেন্দ্রকিশোরের বিশেষ মনোযোগ ছিল যন্ত্রপাতির ক্রিয়াপদ্ধতির প্রতি। ছবি আঁকা ও তোলা দুই-ই ভীষণ ভাবে আকর্ষণ করেছিল কিশোর উপেন্দ্রকিশোরকে। ফটোগ্রাফী নিয়ে অনেক গবেষণাও করেছেন। কন ওয়ালিস স্ট্রীটের বাড়িতে একটি অন্ধকার ঘর ছিল তার ডার্ক রুম। দিনের বেশী সময় এই ডার্ক রুমেরই কাটত কিশোর উপেন্দ্রকিশোরের । এখানে বসেই ছবি আঁকতেন, বেহালা বাজাতেন, গান করতেন৷ এত সবের মাঝেও তাঁর ধ্যান ছিল কি করে ছবি থেকে হাফটোন ব্লক করা যেতে পারে, আরও নিখুঁত ভাবে ছাপা যেতে পারে, হাফটোন ব্লক করে ছবিকে। বিদেশে তখন হাফটোন ব্লক সবে ছাপা…
গুপী গাইন বাঘা বাইন
উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
প্রকাশনায় : বর্ণালী
বাংলাবাজার, ঢাকা
প্রথম প্রকাশ : শ্রাবণ ১৯০
আগষ্ট, ১৯৮৩
মুদ্রণে : মায়া প্রিন্টিং ওয়ার্কস
৩/২, সিমসন রোড, ঢাকা- ১
মূল্য : সাদা- পনেরো টাকা
নিউজ- দশ টাকা