গোপালের চাটুকার নির্বাচন
গোপালের ন্যায় সুরসিক, উচিত ও উপস্থিত বক্তাকে নিজের মোসাহেব করিতে তখনকার বড়লোক মাত্রেই চেষ্টা করিত। একদিন শান্তিপুরস্থ কোন জমিদার গোপালকে ডাকাইয়া নিজের অভিপ্রায় জ্ঞাত করিলে গোপাল অস্বীকার করিল। জমীদার মহাশয় দুঃখিত হইল দেখিয়া গোপাল কহিল,-“মহাশয়। আপনার নিকট এই পদলাভের জন্য অনেক উমেদারী করিতেছে শুনিয়াছি, তাহার ভিতর হইতেই বাছিয়া মনোনীত করিয়া লউন না কেন?” জমীদার কহিলেন, “বাছিয়া লইব কি প্রকারে?” গোপাল কহিল, “আমি বাছিয়া দিতেছি।” ইহা বলাতে জমিদার উমেদারগণকে আহ্বান করিতে লাগিলেন। গোপাল একে একে সকলের পরীক্ষা আরম্ভ করিলে, দুই তিনজন ক্রমে ক্রমে পরীক্ষা দিয়া গেল। গোপাল কহিল, এদের একজনও আপনার উপযোগী নহে।” পরে পুনরায় অন্য লোকের অহ্বান হইল ; গোপাল প্রশ্ন করিল, “কেমন হে, মোসাহেবি কৰ্ত্তে পারবে তো?”
উত্তর। আজ্ঞা—খুব পারবো।…
গোপাল ভাঁড়ের অদ্ভুত গল্প
গোপাল ভাঁড়
অভিনব রঙ্গরসের আধার
হাসি-তামাসার প্রস্রবণ
সম্পাদনা : শ্রীমহেন্দ্রনাথ কর
মহেন্দ্র লাইব্রেরি, ১১৬ আপার চিংপুর রোড়, কলিকাতা
প্রকাশক : শ্রীমহেন্দ্রনাথ কর
প্রকাশকাল : ১৩৫৮ সন
মূল্য : আট আনা