প্রেম আর প্রকৃতি নিয়েই কবির কারবার, কবি নিজের প্রিয়াকে দেখেন প্রকৃতির ভিতরে। প্রকৃতি আর প্রিয়া একাকার হয়ে যায়। ‘চক্রবাকে’র মূল সুরও তাই। এখানে বিপ্লবী কবির বজ্র নির্ঘোষ শোনা যায় না, শোনা যায় না তাঁর সোচ্চার উক্তি। এখানে ওঠে সারেঙ্গীর টুংটাং, গজলের গুনগুনানি ; আছে সজল মেঘের ছায়া, কর্ণফুলীর ছলছল ব্যথা, চক্রবাক- চক্রবাকীর মুখর বিরহ। এ কবিতা সেদিক থেকে নতুন শুধু নয়, অভিনব।
কবির উদ্বেল যৌবনে একদিন চট্টলভূমিতে তিনি নিমন্ত্রিত হয়েছিলেন । যেদিন ‘তলোয়ার আর শিঙা’ ফেলে রেখে গিয়েছিলেন নগরীর কোলাহলে, সংগ্রামেরও ক্ষণিক বিরতি ঘটেছিল। চট্টলপ্রকৃতির লোভন মোহে নিজেকে সঁপে দিয়েছিলেন, ভেসে গিয়েছিলেন বিরহের স্বর্গলোকে। সেই দিনের • স্মরণে এই গীতিকবিতার গুচ্ছ।
এই বই দীর্ঘ দিনের বিস্মৃতির আড়ালে লুপ্ত হয়ে গিয়েছিল, আমরা আবার তাকে উদ্ধার করে পাঠকদের কাছে উপহার দিলাম। তাঁরা কবিমানসের আর একদিকের পরিচয় পেলে, আমাদের এ শ্রম সার্থক বলে মনে করব। আর একটা কথা৷ বুলবুল সোসাইটির পক্ষ থেকে তাঁর চট্টল ভ্রমণের সময় যে মানপত্র দেওয়া হয়েছিল, তার প্রত্যভিভাষণও এখানে মুদ্রিত হলো৷
কর্মাধ্যক্ষ
নলেজ হোম
চক্রবাক
কাজী নজরুল ইসলাম
নলেজ হোম : পুস্তক বিক্রেতা ও প্রকাশক
৫৯, বিধান সরণি : কলিকাতা-৬
প্ৰকাশক : শ্রীশান্তিকুমার মজুমদার
নলেজ হোম ৫৯, বিধান সরণি, কলিকাতা—৬
দুই টাকা পঁচিশ পয়সা
মুদ্রক : শ্রীসমীর কুমার মজুমদার, এম. এস.সি.
বেঙ্গল প্রিন্টার্স
১১৭/১, বিপিনবিহারী গাঙ্গুলী স্ট্রীট, কলিকাতা-১২
প্রচ্ছদশিল্পী : শ্রীহখেন গুপ্ত