এঙ্গেলস বক্তৃতায় বলেছিলেন-‘ডারউইন যেমন জৈব প্রকৃতির বিকাশের নিয়ম আবিষ্কার করেছিলেন তেমনি মার্কস আবিষ্কার করেছেন মানুষের ইতিহাসের বিকাশের নিয়ম, মতাদর্শের অতি নিচে এতদিন লুকিয়ে রাখা এই সহজ সত্য যে, রাজনীতি, বিজ্ঞান, কলা, ধর্ম ইত্যাদি চর্চা করতে পারার আগে মানুষের প্রথমে চাই খাদ্য, পানীয়, আশ্রয়, পরিচ্ছদ। সুতরাং প্রাণধারণের আশু বাস্তব উপকরণের উৎপাদন এবং সেইহেতু কোনো নির্দিষ্ট জাতির বা নির্দিষ্ট যুগের অর্থনৈতিক বিকাশের মাত্রাই হলো সেই ভিত্তি যার ওপর গড়ে ওঠে সংশ্লিষ্ট জাতির রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান, আইনের ধ্যানধারণা, শিল্পকলা, এমনকি তাদের ধর্মীয় ভাবধারা পর্যন্ত এবং সেই দিক থেকেই এগুলির ব্যাখ্যা করতে হবে, এতদিন যা করা হয়েছে সেভাবে উলটো দিক থেকে নয়।’
১৮৮৩ সালের ১৭ই মার্চ কার্ল মার্কেসর মৃত্যুর ৩দিন পর লন্ডনের হাইগেট সমাধিক্ষেত্রে তাঁর সমগ্র জীবনের বন্ধু ও সহযোদ্ধা ফ্রেডরিখ এঙ্গেলস বক্তৃতায় উপরোক্ত কথাগুলো বলেছিলেন।
বিগত প্রায় ১৬৯ বছর ধরে সমগ্র পৃথিবীতে মানব চিন্তন প্রক্রিয়াকে সর্বাধিক প্রভাবিত করেছেন যিনি তিনি হলেন কার্ল মার্কস।
চিরজীবী কার্ল মার্কস
মৃত্যু-শতবার্ষিক শ্রদ্ধাঞ্জলি
লেখকগণ
প্রকাশক : প্রাচ্য প্রকাশনী
৬৭/৩ কাকরাইল, ঢাকা-২
মূদ্রক : দিগন্ত প্রেস, ২৪০ বংশাল রোড়, ঢাকা-৩
প্রকাশকাল : জৃলাই, ১৯৮৩
মূল্য : সাত টাকা
প্রচ্ছদ : আব্দুল মুকতাদির