নিপীড়িত জাতিসমূহের মুক্তি-সংগ্রাম দুনিয়ার সর্বহারা বিপ্লবের অংশ
নিপীড়িত ও নিপীড়নকারী জাতির মধ্যে পার্থক্য করতেই হবে
সাম্রাজ্যবাদ হচ্ছে পুঁজিবাদের বিকাশের সর্বোচ্চ স্তর এবং মাত্র বিংশ শতাব্দীতেই এই স্তরে পৌঁছেছে পুঁজিবাদ। পুঁজিবাদ পুরানো জাতীয় রাষ্ট্রগুলোর সীমানার মধ্যে স্থানের অকুলান বোধ করছিলো ; জাতীয় রাষ্ট্র গড়ে তোলা ছাড়া পুঁজিবাদ সামন্ততন্ত্রের উচ্ছেদ করতে পারতো না। কিন্তু পুঁজিবাদ জন্ম দিয়েছে এমন এক অর্থনৈতিক কেন্দ্রিকতা যার ফলে সমস্ত শিল্পের এক একটি গোটা শাখা গুটিকয়েক সিণ্ডিকেট, ট্রাষ্ট ও সংস্থার (Corporation) নিয়ন্ত্রণকারী কোটিপতির হাতের মধ্যে আবদ্ধ হয়েছে। এই অতিকায় পুঁজিবাদের দানবেরা প্রায় সমস্ত দুনিয়াকেই ভাগাভাগি করে নিয়েছে, কিয়দংশ উপনিবেশ হিসাবে এবং অবশিষ্টাংশ হাজারো রকমের অর্থনৈতিক শোষণের বেড়াজালের সাহায্যে। পুঁজি নিয়োগের জন্য দেশ অধিকার, কাঁচামাল আহরণের জন্য ক্ষেত্রদখল ও একচেটিয়া মনোবৃত্তি অবাধ ও প্রতিযোগিতামূলক বাণিজ্যের বিলুপ্তি ঘটায়। আগের দিনে জাতিসমূহের মুক্তিদাতা পুঁজিবাদ, তার আজকের সাম্রাজ্যবাদের স্তরে, জাতিসমূহের প্রধান নিপীড়কে রূপান্তরিত হয়েছে। এককালের প্রগতিশীল এই শক্তি আজ পরিণত হয়েছে প্রতিক্রিয়াশীল শক্তিতে৷ পুঁজিবাদ লেনিন -১
জাতীয় মুক্তি আন্দোলন সম্পর্কে
কমরেড লেনিন
[1870–1960]
নব্বইতম জন্মবার্ষিকী স্মরণে
পিপলস্ পাবলিশিং হাউস কর্তৃক প্রকাশিত ১৯৬০ সালের চীনা সংস্করণ LENIN ON THE LIBERATION MOVEMENT থেকে অনূদিত৷
অনুবাদ : ইবনে বারী
প্রকাশনা : এম, আবদুল হক
প্রকাশ ভবন
৫, বাংলা বাজার, ঢাকা–১
মুদ্রণ : এ, ওয়াদুদ
সফিয়া আর্ট প্রেস, ৩১/১, এস, কে, দাস রোড, ঢাকা-১
প্রথম প্রকাশ : জুলাই, ১৯৭৪
দাম : এক টাকা দশ পয়সা