অবশেষে ‘যে দেশে মানুষ বড়’ বইখানা ছাপার অক্ষরে বাহির হইতে চলিল। আমার হাতের লেখা খুব কম লোকই পড়িতে পারে। আমার পরম স্নেহাস্পদা মিসেস সুলতানা রহমান বি, এ, কুমারী আয়েশা বেগম এম, এ, হাসিমুখে এই বইখানার সমস্ত পাণ্ডুলিপি নকল করিয়া দিয়াছে। নানা মাসিক পত্রের প্রবন্ধ লেখিকা কুমারী হাফেজা বেগম আমার “ওগো পুষ্পধনু” গীতিনাট্য বইখানার পাণ্ডুলিপি নকল করিয়া দিয়াছে। তাহারা না হইলে এই পুস্তক দুইখানা আমার পাঠকদের দরবারে উপস্থিত করিতে পারিতাম না। ইহাদের সকলকেই জানাই আমার সকল অন্তরের শুভ-কামনা। ‘যে দেশে মানুষ বড়’ পুস্তকের কিছু অংশ চিত্রালী কাগজে ছাপা হইয়াছিল। চিত্রালীর বহু পাঠক আমার এই ভ্রমণ বৃত্তান্তের প্রশংসা করিয়া পত্র লিখিয়াছেন। খুলনা হইতে আমার না-দেখা ভাগনী মিনা লিখিয়াছে, “মামা! আপনার ভ্রমণ বৃত্তান্ত পড়ে মনে হ’ল আপনি যেখানে যেখানে গেছেন, সেখানে বসেই সব কিছু লিখেছেন । তা না হলে আপনার বৃত্তান্ত এমন ছবির মত স্পষ্ট হ’ত না।” এদের সবাইকে আমি ধন্যবাদ জানাই। আজ রেডিও, বায়েস্কোপ, টেলিভিশনের বদৌলতে সমস্ত পৃথিবী আমাদের নিকটে আসিয়াছে। তাই নিজেদের লইয়া ব্যাপৃত থাকার দিন চলিয়া গিয়াছে। কবির ভাষায়—
“সব ঠাঁই মোর ঘর আছে, আমি সেই ঘর মরি খুঁজিয়া, দেশে দেশে মোর দেশ আছে, আমি সেই দেশ লব যুঝিরা। পরবাসী আমি যে দুয়ারে যাই—
তারি মাঝে মোর আছে যেন ঠাই,
কোথা দিয়া সেথা প্রবেশিতে পাই সন্ধান লব বুঝিয়া । ‘ ঘরে ঘরে আছে পরমাত্মীয় তারে আমি ফিরি খুঁজিয়া।”
যে দেশে মানুষ বড়
জসীম উদ্দীন
প্রকাশনায় : মমতাজ বেগম
কে/অবঃ ষ্টুডেন্ট ওয়েজ, বাঙলা বাজার, ঢাকা -১
পরিবেশক : নওরোজ কিতাবিস্তান, বাঙলা বাজার, ঢাকা-১
বইঘর, ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিটি লাইব্রেরী
মোহাম্মদী বুক হাউস, পাটুয়াটুলী, ঢাকা-১
বই-বিচিত্রা, বাঙলা বাজার, ঢাকা-১
মাওলা ব্রাদার্স, বাঙলা বাজার, ঢাকা-১
প্রথম প্রকাশ : ১৯৬৮-২৫০০
দ্বিতীয় প্রকাশ : ১৯৭২ – ২৫০০
ছেপেছেন : আবদুল কুদ্দস সাদী
টাইম প্রেস, ১৫/১ হাটখোলা রোড, ঢাকা – ৩
দাম : চার টাকা