গত মহাযুদ্ধের পর থেকে দেশে দেশে জাতীয় মুক্তিসংগ্রামের তিনটি বিশিষ্ট পর্যায় দেখা যায়,-(১) ঔপনিবেশিক দেশগুলিতে সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে জনগণের মিলিয়ে প্রতিরোধ ও সংগ্রাম এং বহুসংখ্যক দেশের স্বাধীনতা লাভ (২) ইতিপূর্বে স্বাধীনতা প্রাপ্ত দেশগুলিতে জনগণের নতুন সংগ্রাম ..এ সংগ্রামের মূল কথা জাতীয় স্বাধীনতা, শান্তি, প্রগতি ও নিরাপত্তার জন্য সা¤্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে নবতর জেহাদ এবং এ ধরনের সব ক্ষেত্রেই নব স্বাধীনতা লব্ধ দেশগুলির সরকারসমূহ নিজ নিজ জনগণের বিরুদ্ধে সা¤্রাজ্যবাদের সঙ্গেকখনো গোপন ও কখনো প্রকাশ্যভাবেআতাত তৈরী করে জনগণকে শোলণ করে এবং (৩)সংখ্যালঘু শ্বেতচর্মধারীর হাতে ক্ষমতা অর্পণ করে সাম্রাজ্যবাদের নয়া রণনীতির আড়ালে আশ্রয় গ্রহণ, যেমনটি করা হয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকায় ও রোডেশিয়ায়। পাকিস্তান দ্বিতীয় শ্রেণীর রাষ্ট্রগুলির অন্তর্ভুক্ত। ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদ ভারতীয় ধনিক-বণিক-ভূস্বামী এবং অভিজাত বুর্জোয়া মুসলিমদের সংগঠনের মুসলিম লীগকে গর্ভস্থ সন্তানের মত লালন করে এবং এই প্রতিষ্ঠানটির দাবি অনুযায়ী ভারতবর্ষকে বিভক্ত করে আর পত্তন করে পাকিস্তান নামক নতুন রাষ্ট্রের।
রক্তাক্ত মানচিত্র
সম্পাদনা : আবদুল হাফিজ
মুজিবনগরে প্রথম প্রকাশ : ডিসেম্বর, ১৯৭১
প্রকাশ করেছেন : শ্রীচিত্তরঞ্জন সাহা
মুক্তধারা
[স্বাধীন বাংলা সাহিত্য পরিষদ]
মূল্য : নয় টাকা
বাংলাদেশের জাতীয় মুক্তিসংগ্রাম
ও
বায়লাদেশের কবিতা
মুক্তিসংগ্রামের পটভূমি