মহামতি লেনিন বিংশ শতাব্দীর স্মরণীয় ও বরণীয় লোকোত্তর প্রতিভা। তিনি কার্ল মার্কসের চিন্তাভাবনা অনুসরণ করে পৃথিবীর বুকে নতুন যগের নতুন মানষ গড়ে তোলার আর্ট -প্রকরণকে একটি বিশিষ্ট রূপে রূপায়িত করেছেন যা ইতিহাসের দিক থেকে ও সমাজবিজ্ঞানের দিক থেকে চমৎকৃত ঘটনা।
রাজনৈতিক দলীয় দৃষ্টিভঙ্গিতে নয়, সম্পূর্ণভাবে সমাজবিজ্ঞানের সাহিত্য-ভাবনা নিয়ে আমরা তাঁর অসামান্য চিন্তা-ভাবনা ও কর্ম কৌশলের বিজ্ঞানসম্মত দিকগুলিকে সহজ-সরল ও প্রাঞ্জলভাষায় উত্থাপন করেছি, যা আমাদের জাতীয় জীবনের পক্ষে ও তাৎপর্যবাহী হয়ে উঠতে পারে। সম্পূর্ণ নৈর্ব্যক্তিক ও নিরপেক্ষভাবে তাঁর চিন্তধারার একটি মূল্যায়ন আমরা করেছি যদিও তা অসম্পূর্ণ ও অসমাপ্ত। আমরা মনে করি, মহামতি লেনিনের দূরদৃষ্টি ও কর্ম কৌশল থেকে আমাদের দেশের কোটি কোটি নির্বাচিত মানুষ তাঁদের নিজস্ব সামাজিক অবস্থানের ভেতরেও অমোঘ প্রেরণার উদ্দীপনা-বিন্দ, সংগ্রহ করতে পারেন এবং কিভাবে এই মহান দেশপ্রেমিক ও বিশ্ব- প্রেমিক মানষটি কার্ল মার্কসের দেখা মানষের ধারণাকে নিজের হাতে সৃষ্টি করার কাজে সার্থক হয়েছিলেন, তা জেনে তাঁর সেই সাধনার মূলসত্রকে জাতীয় জীবনে প্রয়োগ করে ধন্য হতে পারেন। চূড়ান্ত কিছ, অবশ্যই মানষের সংসারে নেই। বিপ্লবের কাজ হয়তো বা চিরকালই অসম্পূর্ণ থাকে, অসমাপ্ত থাকে আরো কোনো উন্নত ধরনের আরোহণ ও উত্তরণের জন্যে। এগোতে হয় উন্মুক্ত হাওয়ার জানালাগুলি খোলা রেখে। আমরা মনে করি, লেনিনের সৃষ্টিশীল বাস্তবগ্রাহ্য মানুষ সৃষ্টির পরিকল্পনা মানবজাতির কাছে একটি বিরাট দীপন-বিদ, আলোর দিশারী। তাঁর অসামান্য চিন্তাধারার বৈজ্ঞানিক গুরুত্ব যুগ যুগ ধরে মানবজাতিকে সম, “ভাসিত করে তুলবে, সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই। ভারতবাসীর কাছেও তিনি এক প্রেরণার অগ্রদূত। নৈবক্তিকভাবে চাই তাঁর মূল্যায়ন, যেখানে প্রচারধর্মিতার চেয়ে বড়ো হোলো নৈতিক সততা।
লেনিনের সৃষ্টিতে মানুষ
অধ্যক্ষ ডক্টর হরিসাধন গোস্বামী এম. এ., বি. টি., এম. এ. ইন এডুকেশন, ডি-ফিল (আর্টস) (কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়), সাহিত্যভারতী (বিশ্বভারতী), সর্বদর্শনাচার্য”,পরাণয়ত্ন।
কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাতত্ত্ব বিষয়ে প্রথম ডক্টরেট।
প্রকাশক : শ্রীঅশোককুমার বারিক
৬, রমানাথ মজুমদার স্ট্রীট কলিকাতা-৭০০ ০০৯
প্রথম সংস্করণ : জানুয়ারি, ১৯৮৬
মমূল্য : আঠারো টাকা মাত্র।
মুদ্রক : শ্রীতৃপ্তিমোহন ঘোষ
নিউ রাজলক্ষ্মী প্রিন্টার্স’
১৯এইচ/এইচ, গোয়াবাগান স্ট্রীট কলিকাতা – ৭০০ ০০৬