শিল্প-সাহিত্য-সংস্কৃতি সম্বন্ধে গত কয়েক বছরে অনেকের সঙ্গে আলোচনার মধ্যে আমার কাছে যেসব প্রশ্ন এসেছিল, সে বিষয়ে আমার কতকগুলি বক্তৃতা ও প্রবন্ধ ভিন্ন ভিন্ন সময়ে সাময়িক পত্রে প্রকাশিত হয়েছিল। তার মধ্যে কয়েকটির সংকলন এই “সংস্কৃতির কথা”।
সংস্কৃতি শব্দটির অর্থ খুব ব্যাপক। এখানে তার ব্যাখ্যা না দিয়ে কেবল এইটুকু বলা যায় যে মোটামুটি ইংরেজি “কালচার” শব্দের অর্থে আমি “সংস্কৃতি” শব্দটি ব্যবহার করেছি। সে সম্বন্ধে আমার বক্তব্য প্রথম প্রবন্ধেই আছে ।
সংস্কৃতি সম্বন্ধে সাম্প্রতিক কালে যে সমস্ত মত আমি প্রকাশিত হতে দেখেছি সেগুলি এক ধরনের নয়। ভিন্ন ভিন্ন মতের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ বিরোধও আছে । আমাদের বর্তমান সামাজিক বিচারে কারো রচনা প্রতিক্রিয়াশীল, কারো বা প্রগতিশীল ; কেউ শোষক শ্রেণীদের স্বার্থের সমর্থক, কেউ বা শোষিত শ্রেণীদের স্বার্থের পৃষ্ঠপোষক ৷ আবার অন্য কেউ কেউ আছেন যাঁরা তাঁদের বক্তব্যের মধ্যে দু তরফেরই কথা কিছু কিছু তুলে ধরেন।
আমার মনে হয় আমাদের দেশের সমাজ ব্যবস্থা এখন যে পর্যায়ে পৌঁচেছে, দেশের সামাজিক, রাজনীতিক ও সাংস্কৃতিক অবস্থা যেভাবে গড়ে উঠেছে, তাতে মোট জনসংখ্যার বিপুল মেজরিটি শোষিত শ্রেণীদের মানুষ । সেই শ্রেণীদের বক্তব্য স্পষ্টভাবে তুলে ধরা দরকার । তাছাড়া, বর্তমান ঐতিহাসিক পরিস্থিতিতে সমগ্র সমাজের গণতান্ত্রিক অগ্রগতির স্বার্থেও সে প্রয়োজন দেখা দিয়েছে ।
সংস্কৃতির কথা
মুহম্মদ আবদুল্লাহ্ রসুল
ন্যাশনাল বুক এজেন্সি
ম্যারিয়েটা, ১৪২, রেডিয়াম, ঢাকা
ফোন :-১৫১
প্রথম সংস্করণ—ফেব্রুয়ারী ১৯৮৩
প্ৰকাশক : সুনীল বসু
ন্যাশনাল বুক এজেন্সি (প্রাঃ) লিমিটেড, ১২, বঙ্কিম চাটার্জী স্ট্রীট
কলকাতা-৭০০০৭৩
মুদ্রাকর : শুভেন্দু রায়
ঊষা প্রেস, ৩২ এ, শ্যামপুকুর স্ট্রীট
কলকাতা – ৭০০০০
প্রচ্ছদ : শ্রীগণেশ বসু
মূল্য : আট টাকা